Newspaper & Media

অনুষ্ঠানে আলোচনায় অংশ নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক সাজ্জাদ সিদ্দিকী বলেন, যুদ্ধের অনুপস্থিতি মানে শান্তি নয়। কাঠামোগত যে বৈষম্য সেটা সম্ভাব্য সংঘর্ষের প্রেক্ষাপট তৈরি করে। সমুদ্র বিজয় হলেও সমুদ্রে বাংলাদেশের জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়নি। সমতল, পাহাড় ও দ্বীপে—সবখানে একই পরিস্থিতি বিদ্যমান উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে আমাদের সামষ্টিকভাবে প্রশ্ন তুলতে হবে।

সীমান্ত পরিস্থিতিকে কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে না দেখে, বরং একটি কাঠামোগত, নির্মোহ ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বিশ্লেষণ করার লক্ষ্যে এক আলোচনা সভা হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ সিদ্দিকী বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা ও অখণ্ডতাকে যদি আমরা সংজ্ঞায়ন করতে পারি, নিজেদের একাত্মতা নিশ্চিত করতে পারি, তাহলে পার্বত্য চট্টগ্রাম কিংবা সীমান্তের সংকট নিয়ে সঠিকভাবে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ফোরামে কথা বলতে পারবো। যেই ভারত দুইবারের প্রহসনের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছে, সেই ভারতই আবার সীমান্তে গরীব মানুষকে গুলি করে মারছে। এমনকি ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনও দিতে চায় না তারা। এ বিষয়ে যদি রাজনৈতিক দল ও গোষ্ঠীর মধ্যে ঐক্য না প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে সীমান্তে আমাদের দর কষাকষির সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। এটা হলে সীমান্তে হত্যা নিয়ে আমরা আইনি, সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে চাপ প্রয়োগ করতে পারবো।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সাজ্জাদ সিদ্দিকী বলেন, ‘আমরা যখন সীমান্তের সমস্যা নিয়ে কথা বলছি, তখন ভারত আমাদের দেশ থেকে আন্দোলনের মুখে পালিয়ে যাওয়া এবং লম্বা সময় অনির্বাচিত হয়েও প্রধানমন্ত্রী পদে থাকা একজনকে আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। আর তাদের সীমান্ত বাহিনী আমাদের দেশের অসহায় মানুষদের গুলি করে হত্যা করছে।’

Among other issues raised and discussed, Dr. Sazzad Siddiqui, as a discussant, emphasized the importance of political reconciliation, a topic that received significant attention and was discussed with importance during the session.