বাংলাদেশে জোটভিত্তিক আন্দোলনের সুফল থাকলেও নির্বাচনের আগে কেবল সুবিধাভিত্তিক জোটের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিই বেশি। জাতীয় রাজনীতিতে বিএনপি-জামায়াত বা আওয়ামী লীগ-জাতীয় পার্টি জোটগুলো মূলত নির্বাচনমুখী স্বার্থভিত্তিক গড়ে উঠেছিল, যার ফলে এই দুই দলের বাইরে এসে বৃহৎ কোনো দলের আবির্ভাব হয়নি। অধিকন্তু, এ দুটি দলকে অনেক সময় অগণতান্ত্রিক হয়ে উঠতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে এদের শরিক দলগুলো। এ ক্ষেত্রে জোটগুলোর চরিত্র হয় অস্থায়ী, উদ্দেশ্যনির্ভর এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার পরিবর্তে পরিচালিত হয় ভোটকেন্দ্রিক হিসাব-নিকাশের ভিত্তিতে। এই ধরনের জোট-রাজনীতিতে প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলো একে অন্যকে দ্রুতই একই খাঁচার অংশ হিসেবে চিহ্নিত করে; শুরু হয় ‘ট্যাগিং’। এর ফলে রাজনীতিতে পারস্পরিক বিষোদ্গার ও প্রতিহিংসা বাড়ে, এমনকি জিঘাংসাও তীব্র হয়; পাশাপাশি ভোটের বাইরে থাকা নীতিনির্ধারণী সংলাপ, আন্দোলনের বৈচিত্র্য ও স্বতন্ত্র রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম গঠনের সম্ভাবনাও ক্রমে দুর্বল হয়ে পড়ে।
Newspaper & Media
“The police and other civilian institutions must be both empowered and held accountable so that the state does not routinely rely on the armed forces and intelligence agencies in civil matters. Such reforms would reduce dependency and potential abuse of power. But if mishandled, this moment will only revive old fears of impunity and democratic fragility.”
“For Bangladesh to progress, it is essential to re-examine inherited labels and evaluate today's student movements based on their current actions as well as their historical burdens. The younger generation is increasingly rejecting the cycle of campus violence.”
শিক্ষার্থীরা দেশীয় ও বৈশ্বিক পর্যায়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে পারে
Interview with শফিকুল ইসলাম • বনিক বার্তা
আজকের সমকালে: "গোপালগঞ্জের সংঘর্ষ ও রক্তপাত আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়– প্রতীক বা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব কখনও কখনও বাস্তবের চেয়ে শক্তিশালী হয়ে ওঠে। এই বাস্তবতায় প্রশ্ন উঠছে– ‘কে জিতল আর কে হারল?’ এই প্রশ্নের উত্তর সংখ্যায় নয়, বরং রাজনৈতিক মূল্যায়ন এবং এর অন্তর্নিহিত বার্তায় নিহিত। যারা আজ জিতেছে বলে উল্লাস করছে, তারা হয়তো সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে দেখতে পাবে এই ‘জয়’ পরাজয়ের শুরু মাত্র।"
মানবজীবনের মৌলিক শিক্ষা হলো– থামতে জানা। দৌড় প্রতিযোগিতার যেমন সুনির্দিষ্ট গন্তব্য থাকে, তেমনি ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবনের প্রতিটি ধাপে থামার, ভাবার এবং আত্মজিজ্ঞাসার প্রয়োজন আছে। কারও প্রেমে অন্ধ হয়ে, বঞ্চনাবোধ থেকে আত্মহত্যার পথ না বেছে কিংবা অন্যের চরিত্র হননের চেষ্টা না করে মানসিক চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়াই থামতে জানার প্রকৃত কৌশল। এমনকি শত্রু মোকাবিলায় ‘ষড়যন্ত্রে লিপ্ত’ প্রতিপক্ষকেও জানতে হয় কোথায় থামতে হবে। অন্যথায় সে নিজেই ষড়যন্ত্রের বুমেরাংয়ের শিকার হয়। ধর্মীয় উগ্রবাদীরা যেমন নারীবিদ্বেষী বক্তব্যে কোথায় থামতে হবে– ভুলে যায়; তেমনি নারীবাদীরাও অনেক সময় ভুলে যায়– প্রাসঙ্গিকতা ও পারিপার্শ্বিকতা বিবেচনায় কোথায় থামতে হবে। সীমাবদ্ধতা স্বীকারের শিক্ষা অর্থাৎ থামতে পারা এক ধরনের সৃষ্টিশীলতা।