"Dehumanise" Hasina's father, Sheikh Mujibur Rahman, the founding president of Bangladesh, hailed from Gopalganj and is buried in the town. Statues of Rahman have been torn down nationwide, but in Gopalganj, murals and statues are well-maintained. A mosaic featuring Sheikh Mujibur Rahman, Bangladesh's first president and father of ousted prime minister Sheikh Hasina, displayed along a street at Tungipara village, his birthplace in Gopalganj. Since Hasina's downfall, clashes have broken out during campaigning by other parties, including one between police and AL supporters in July 2025, after which authorities filed more than 8,000 cases against residents. Sazzad Siddiqui, a professor at Dhaka University, believes voter turnout in Gopalganj could be the lowest in the country. Many people here are still in denial that Sheikh Hasina did something very wrong, said Siddiqui, who sat on a government commission formed after the 2025 unrest. At the same time, the government has constantly tried to dehumanise them.
Newspaper & Media
‘সম্মান নিয়ে বেঁচে থাকা কঠিন’– এ ধরনের হতাশাজনক বাক্য আজকাল বেশি উচ্চারিত হচ্ছে। অনেকের মতে, এর মূলে রয়েছে দীর্ঘ সময় ধরে চলমান ‘ঘৃণার চাষ’। ঘৃণা হঠাৎ আকাশ থেকে নেমে আসে না। ঘৃণার পেছনে কার্যকারণ সম্পর্কের যৌক্তিকতা অনস্বীকার্য। তবে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে যখন অনিয়ন্ত্রিত ঘৃণার চাষ চলে, তখন রাষ্ট্রীয় কাঠামোও ভেঙে পড়তে দেখা যায়। ইতিহাসে এর অসংখ্য প্রমাণ রয়েছে। সম্প্রতি প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার পত্রিকার সঙ্গে ছায়ানট ও উদীচী কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনা এ ঘৃণা প্রকল্পের অংশ। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অবস্থাও এতে ধরা পড়ে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সাজ্জাদ সিদ্দিকী বলেন, ‘আমরা যখন সীমান্তের সমস্যা নিয়ে কথা বলছি, তখন ভারত আমাদের দেশ থেকে আন্দোলনের মুখে পালিয়ে যাওয়া এবং লম্বা সময় অনির্বাচিত হয়েও প্রধানমন্ত্রী পদে থাকা একজনকে আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। আর তাদের সীমান্ত বাহিনী আমাদের দেশের অসহায় মানুষদের গুলি করে হত্যা করছে।’
সীমান্ত এলাকায় অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটলে হত্যা কমবে
Interview with সমকাল প্রতিবেদক • সমকাল
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ সিদ্দিকী বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা ও অখণ্ডতাকে যদি আমরা সংজ্ঞায়ন করতে পারি, নিজেদের একাত্মতা নিশ্চিত করতে পারি, তাহলে পার্বত্য চট্টগ্রাম কিংবা সীমান্তের সংকট নিয়ে সঠিকভাবে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ফোরামে কথা বলতে পারবো। যেই ভারত দুইবারের প্রহসনের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছে, সেই ভারতই আবার সীমান্তে গরীব মানুষকে গুলি করে মারছে। এমনকি ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনও দিতে চায় না তারা। এ বিষয়ে যদি রাজনৈতিক দল ও গোষ্ঠীর মধ্যে ঐক্য না প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে সীমান্তে আমাদের দর কষাকষির সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। এটা হলে সীমান্তে হত্যা নিয়ে আমরা আইনি, সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে চাপ প্রয়োগ করতে পারবো।
‘নিজেদের মধ্যে ঐক্য থাকলে সীমান্ত ইস্যুতে বৃহত্তর দর কষাকষি সম্ভব': ড. সাজ্জাদ সিদ্দিকী
The Daily Star Bangla
সীমান্ত পরিস্থিতিকে কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে না দেখে, বরং একটি কাঠামোগত, নির্মোহ ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বিশ্লেষণ করার লক্ষ্যে এক আলোচনা সভা হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. সাজ্জাদ সিদ্দিকী বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মব সন্ত্রাস এবং রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিঃসন্দেহে সরকারের জন্য মাথাব্যথার কারণ। এর সঙ্গে যুক্ত হতে পারে কালোটাকা, লুট হওয়া অস্ত্র ও কারাগার থেকে পালানো আসামিরা। নির্বাচনকেন্দ্রিক সময় অর্থাৎ নির্বাচনের আগে, নির্বাচনের দিন ও নির্বাচনের পরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি পুলিশের পক্ষে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। তাই নির্বাচনকালীন সার্বিক পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কা রয়েছে। এজন্য অন্তর্বর্তী সরকারকে কঠোর হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। এজন্য সশস্ত্র বাহিনীর সহায়তা যদি কার্যকরভাবে নেওয়া যায়, তাহলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষক।
বাংলাদেশে জোটভিত্তিক আন্দোলনের সুফল থাকলেও নির্বাচনের আগে কেবল সুবিধাভিত্তিক জোটের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিই বেশি। জাতীয় রাজনীতিতে বিএনপি-জামায়াত বা আওয়ামী লীগ-জাতীয় পার্টি জোটগুলো মূলত নির্বাচনমুখী স্বার্থভিত্তিক গড়ে উঠেছিল, যার ফলে এই দুই দলের বাইরে এসে বৃহৎ কোনো দলের আবির্ভাব হয়নি। অধিকন্তু, এ দুটি দলকে অনেক সময় অগণতান্ত্রিক হয়ে উঠতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে এদের শরিক দলগুলো। এ ক্ষেত্রে জোটগুলোর চরিত্র হয় অস্থায়ী, উদ্দেশ্যনির্ভর এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার পরিবর্তে পরিচালিত হয় ভোটকেন্দ্রিক হিসাব-নিকাশের ভিত্তিতে। এই ধরনের জোট-রাজনীতিতে প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলো একে অন্যকে দ্রুতই একই খাঁচার অংশ হিসেবে চিহ্নিত করে; শুরু হয় ‘ট্যাগিং’। এর ফলে রাজনীতিতে পারস্পরিক বিষোদ্গার ও প্রতিহিংসা বাড়ে, এমনকি জিঘাংসাও তীব্র হয়; পাশাপাশি ভোটের বাইরে থাকা নীতিনির্ধারণী সংলাপ, আন্দোলনের বৈচিত্র্য ও স্বতন্ত্র রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম গঠনের সম্ভাবনাও ক্রমে দুর্বল হয়ে পড়ে।
প্রথম আলো ডেইলি স্টারে হামলা পরিকল্পিত মামলায় আসামি অজ্ঞাতনামা
Interview with জামাল উদ্দিন • Bangla Tribune
বিচ্ছিন্ন ঘটনা নাকি পরিকল্পিত? ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে একটি গোষ্ঠী প্রথম আলো, দ্য ডেইলি স্টার ও একাধিক সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে যে হামলা চালিয়েছে, তা জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। মানবাধিকার সংগঠন, সম্পাদকদের সংগঠন ‘নোয়াব’, রাজনৈতিক নেতা ও বুদ্ধিজীবীদের একটি বড় অংশ মনে করছেন— এগুলো কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বরং রাজনৈতিক ও আদর্শিক উদ্দেশ্য হাসিলের লক্ষ্যে স্বাধীন মতপ্রকাশকে রুদ্ধ করতেই এই সমন্বিত হামলা চালানো হয়েছে। প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের ঘটনায় ওসমান হাদির ওপর আক্রমণ থেকে তার মৃত্যু সংবাদ আসা পর্যন্ত অনেকগুলো ডট যদি আমরা একটার সঙ্গে আরেকটা মিলিয়ে দেখি, তাহলে এর পেছনের কারণ বা ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত কিনা, তা বের করতে পারবো বলে উল্লেখ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ বিভাগের শিক্ষক ড. সাজ্জাদ সিদ্দিকী। তিনি বলেন, ‘‘আমরা আমাদের জনগণের বিরাট অংশকে শিক্ষিত করতে পারিনি। ফলে যারা সমাজে নানা মাধ্যমে প্রভাব রাখতে পারে, তারা এই জনগোষ্ঠীকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করছে, নিজেদের ব্যক্তিগত ভালো লাগা বা না লাগার ওপর ভিত্তি করে। আপাতদৃষ্টিতে কাকতালীয় মনে হলেও তা যে না— সেটা বুঝতে পারা যাবে যদি আমরা ওসমান হাদির ওপর আক্রমণ থেকে তার মৃত্যু সংবাদ আসা পর্যন্ত ঘটে চলা ও ‘উসকানিগুলোর’ ধরন মিলাতে পারি।’’
ড. সাজ্জাদ সিদ্দিকী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি এই বিভাগে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করে নরওয়ের বারগেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমফিল এবং অস্ট্রেলিয়ার নিউ ইংল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হাইব্রিড পিসবিল্ডিংয়ের ওপর পিএইচডি সম্পন্ন করেন। শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যু এবং রাজনৈতিক সহিংসতার প্রতিকার নিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন আজকের পত্রিকার মাসুদ রানা।
ঢাকা-দিল্লির দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে টানাপোড়েন!
Interview with মিজানুর রহমান খান • The Daily Naya Shatabdi
তবে কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যে থাকলে দু’দেশের হাইকমিশনারকে তলবের ঘটনা ঘটতে পারে বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেন সিদ্দিকী। দৈনিক নয়া শতাব্দীকে তিনি বলেন, দুটি দেশ যখন কূটনৈতিক সম্পর্কের দিক দিয়ে টানাপোড়েনের মধ্যে থাকে তখন এ ধরণের ঘটনা ঘটে থাকে। দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে একটি রাষ্ট্র কোনো বিষয়ে অভিযোগ তুলে প্রতিক্রিয়া জানাতে রাষ্ট্রদূত বা দূতাবাসের প্রধানকে তলব করলে প্রতিপক্ষ রাষ্ট্রটিও পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানাতে একই ঘটনার জন্ম দেয়। এটি দুটি দেশের কূটনৈতিক ক্ষেত্রে স্বাভাবিক ঘটনা। তবে এ ঘটনা দু ‘দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। হাসনাত আব্দুল্লার সাম্প্রতিক বক্তব্যটির প্রতি ইঙ্গিত করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষক আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ বা সরকারি পদাধিকারী নয় এমন কিছু ব্যক্তির ‘ননস্টেট বক্তব্য’ গুরুতর নয়। কারণ তাদের বক্তব্য রাষ্ট্রের বা সরকারের নয়। তবে এধরণের ‘ননস্টেট বক্তব্য’ বা মন্তব্য অনেক সময় সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রটি ‘সিরিয়াস’ হিসেবে নিয়ে থাকে। তাই উদ্বেগ জানাতে হয়তো নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশি হাইকমিশনারকে তলব করেছিল ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।