Dhaka University Peace and Conflict Studies associate professor Muhammad Sazzad Hossain Siddiqui said that such decrease in the deployment would increase entry of illegal arms, illegal intrusion, smuggling, and facilitate the cross-border illicit economic activities. ‘We face difficulties in managing our borders during the normal time. As we decreased some manpower from the border, some illicit traders will take advantage of the situation,’ he said. He added that if there was a cordial environment among the political parties, there would be no requirement of deploying military and paramilitary forces in the election.
Newspaper & Media
ঢাকা-দিল্লির দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে টানাপোড়েন!
Interview with মিজানুর রহমান খান • The Daily Naya Shatabdi
তবে কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যে থাকলে দু’দেশের হাইকমিশনারকে তলবের ঘটনা ঘটতে পারে বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেন সিদ্দিকী। দৈনিক নয়া শতাব্দীকে তিনি বলেন, দুটি দেশ যখন কূটনৈতিক সম্পর্কের দিক দিয়ে টানাপোড়েনের মধ্যে থাকে তখন এ ধরণের ঘটনা ঘটে থাকে। দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে একটি রাষ্ট্র কোনো বিষয়ে অভিযোগ তুলে প্রতিক্রিয়া জানাতে রাষ্ট্রদূত বা দূতাবাসের প্রধানকে তলব করলে প্রতিপক্ষ রাষ্ট্রটিও পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানাতে একই ঘটনার জন্ম দেয়। এটি দুটি দেশের কূটনৈতিক ক্ষেত্রে স্বাভাবিক ঘটনা। তবে এ ঘটনা দু ‘দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। হাসনাত আব্দুল্লার সাম্প্রতিক বক্তব্যটির প্রতি ইঙ্গিত করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষক আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ বা সরকারি পদাধিকারী নয় এমন কিছু ব্যক্তির ‘ননস্টেট বক্তব্য’ গুরুতর নয়। কারণ তাদের বক্তব্য রাষ্ট্রের বা সরকারের নয়। তবে এধরণের ‘ননস্টেট বক্তব্য’ বা মন্তব্য অনেক সময় সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রটি ‘সিরিয়াস’ হিসেবে নিয়ে থাকে। তাই উদ্বেগ জানাতে হয়তো নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশি হাইকমিশনারকে তলব করেছিল ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বিএনপি-জামায়াতের সেই ‘সখ্যতা’ এখন ‘শত্রুতা’, নেপথ্যে কী?
Interview with মো. জাফর আলী • The Daily Campus
দীর্ঘদিনের এই মিত্র দল দুটির শত্রুভাবাপন্ন সম্পর্কের কারণ জানতে চাইলে রাজনীতি বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ সিদ্দিকী দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে জামায়াত হয়ত মনে করছে, বিশেষ এই রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে, যেখানে বৃহৎ দুইটি দলের একটির কার্যক্রম পরিচালনায় নিষেধাজ্ঞা আছে, অন্যটি শীর্ষ নেতৃত্বহীন, ক্ষমতায় যাওয়ার এমন সুবর্ণ সুযোগ হয়ত আর পাবেনা। ফলে, তারা চাইবেই যে-কোনো মূল্যে বিএনপিকে কোনঠাসা করতে। তিনি আরও বলেন, জামায়াত মূলত ম্যাকিয়াভ্যালিয়ান রাজনীতি করছে, যেখানে ধূর্ততা ও মাঠে শক্তি প্রদর্শন উভয় চেষ্টা সমান্তরাল রাখার চেষ্টা করছে। আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে, দলটির অনেক নেতা-কর্মী-সমর্থককে আজকাল দেখা যাচ্ছে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বর্তমান চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে প্রায়ই নিষ্কলঙ্ক আদর্শ হিসেবে উপস্থাপন করতে। তিনি বলেন, বিএনপি ও এর নেতাকর্মীসহ দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নেতিবাচকভাবে ঢালাও উপস্থাপনও লক্ষণীয়। এমন কৌশল হয়ত সাম্প্রতিক ছাত্র সংসদ নির্বাচনগুলোর ন্যায় বিএনপির ভোটব্যাংককে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়ে থাকতে পারে। ঢাবির এই শিক্ষক মনে করেন, মূলত ক্ষমতাকেন্দ্রিক সুবিধাবাদের রাজনীতিই আজকের এই পরিস্থিতিতে এক সময়ের মিত্রকে শত্রুতে পরিণত করেছে। বিএনপির ভূমিকার বিষয়ে এ অধ্যাপক বলেন, বিএনপি দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে ছিল। ৫ আগস্ট পরবর্তীতে, শীর্ষ নেতৃত্বহীন এই দলটির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে প্রায়ই দুর্নীতি ও টেন্ডারবাজির বিষয়টি আলোচনায় আসে। অভিযোগসমূহ সফলতার সহিত মোকাবেলা করতে দলটি ব্যর্থ হয়েছে। ড. সাজ্জাদ সিদ্দিকী আরও বলেন, ৫ আগস্ট পরবর্তীতে যুগের চাহিদায় নিজেদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন করতে বিএনপির তেমন কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ দেখা যায়নি। যার কারণে, জামায়াত মানুষের কাছে বিএনপিকে আওয়ামী লীগের অনুরূপ একটি দুর্নীতিগ্রস্ত দল হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এসব পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে জামায়াতের ক্ষমতামুখী উচ্চাভিলাষ জোরদার হচ্ছে। যদিও এ পর্যন্ত হওয়া প্রায় সকল জরিপে জনগণ বিএনপিকে এগিয়ে রাখছে। ফলে, ক্ষমতাকেন্দ্রিক স্বার্থের দ্বন্দ্বই কখনো কখনো গড়াচ্ছে বিদ্বেষপূর্ণ আচরণ ও সংঘর্ষে।
মব সন্ত্রাস: প্রশ্নের মুখে মানবাধিকার পরিস্থিতি
Interview with মাহমুদুল আলম • Khaborer Kagoj
কর্মসংস্থান, অর্থনীতি ও শিক্ষাকে গুরুত্ব না দেওয়ায় ‘সাইবার ক্রাইম’ বাড়ছে: ড সাজ্জাদ সিদ্দিকী
The Daily Campus
রাজনৈতিক সংঘাতে দেশে এক লাখ ৫৯ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত
Interview with তাসনিম মহসিন • Samakal
গত বছরের ৫ আগস্টের পর রাজনৈতিক কারণ অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুতির পেছনে প্রভাব রেখেছে বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন সিদ্দিকীও। তবে এর সঙ্গে অর্থনৈতিক কারণও যুক্ত থাকতে পারে বলে মনে করেন তিনি।
মব জাস্টিস না বলে এটাকে সংগঠিত সহিংসতা বলাই শ্রেয়
Interview with মাসুদ রানা • আজকের পত্রিকা
তাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক দিক বিবেচনায়, মানুষকেন্দ্রিক দুটি বিপরীতমুখী আলাপ প্রণিধানযোগ্য। প্রথমটি হলো, মানুষ সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব। কিন্তু সেই মানুষকেই আবার বলা হয় প্রাণিকুলের সবচেয়ে বড় প্রিডেটর:
Can Bangladesh Jail’s new name bring real change?
Interview with Jannatul Naym Pieal • The Business Standard
Bangladeshis along border under threat as Assam to give arms licence to indigenous people
Interview with Tanzil Rahaman • The New Age