Newspaper & Media

৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে চরিত্রহনন, সংঘবদ্ধ আক্রমণ ও অশ্রাব্য ভাষা ব্যবহারের স্বাভাবিকীকরণ প্রচেষ্টা আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে সুস্থ ধারায় ফিরতে দিচ্ছে না। এসব প্রবণতা কেবল ব্যক্তিগত আক্রমণেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, বরং সামগ্রিকভাবে রাজনৈতিক পরিবেশকে অস্থির ও অনিশ্চিত করে তুলছে। তিনি বলেন, ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে চরিত্রহনন, সংঘবদ্ধ আক্রমণ ও অশ্রাব্য ভাষা ব্যবহারের স্বাভাবিকীকরণ প্রচেষ্টা আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে সুস্থ ধারায় ফিরতে দিচ্ছে না। এসব প্রবণতা কেবল ব্যক্তিগত আক্রমণেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, বরং সামগ্রিকভাবে রাজনৈতিক পরিবেশকে অস্থির ও অনিশ্চিত করে তুলছে। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই রাজনৈতিক শূন্যতা বা স্থবিরতার অনুভূতি তৈরি হচ্ছে। আমার কাছে মনে হয়, এই নেতিবাচক প্রবণতার অন্যতম বড় বাহক হয়ে উঠেছে অনিয়ন্ত্রিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। এ রাজনীতি বিশ্লেষক বলেন, আমাদের সমাজে একসময় পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের একটি সুদীর্ঘ ঐতিহ্য ছিল। কিন্তু আধুনিকতার জন্য পর্যাপ্ত প্রস্তুতি না নিয়েই তথাকথিত স্বাধীনতার নামে আমরা ‘পোস্ট-মডার্ন’ সংস্কৃতিকে মাত্রাতিরিক্ত উৎসাহিত করছি। এই অবাধ ও অসংযত বক্তব্যের পেছনে আছে পুঁজিবাদী বাজার ব্যবস্থা, সস্তা জনপ্রিয়তা অর্জনের বিকৃত মানসিকতা এবং নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর দৃষ্টি আকর্ষণের মাধ্যমে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের চেষ্টা কারণ হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলো অনেকক্ষেত্রে নিজেদের হীন স্বার্থে এসব কার্যক্রমকে উৎসাহ ও প্রচার দিচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। ঢাবির এ অধ্যাপকের ভাষ্য, এটি শুধু কোনো নির্দিষ্ট দলের শীর্ষ নেতাদের ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং সাধারণ মানুষও আজ এই অনিয়ন্ত্রিত আক্রমণের শিকার হচ্ছে। অথচ নীতিবহির্ভূত কোনো আচরণের প্রতিক্রিয়ায় নিপীড়নমূলক পন্থা নয়, বরং সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং প্রয়োজনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা জরুরি। ড. সাজ্জাদ সিদ্দিকী আরও বলেন, স্বাভাবিকভাবেই একজন ব্যক্তি অন্য কারও প্রতি বিরূপ মনোভাব পোষণ করতে পারেন। কিন্তু সেই বিরূপতা বা অপছন্দের প্রকাশ যদি এমনভাবে ঘটে যা সমাজ, রাষ্ট্র ও জাতি গঠনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তবে তা দীর্ঘমেয়াদে গভীর সংকট সৃষ্টি করে। তাই বিরোধিতা বা সমালোচনা হওয়া উচিত কাঠামোবদ্ধ ও দায়িত্বশীল উপায়ে। বিশেষ করে, রাষ্ট্রের প্রভাবশালী ও অনুকরণীয় ব্যক্তিরা যদি এক্ষেত্রে ইতিবাচক উদাহরণ স্থাপন করেন, তবে রাজনৈতিক সংস্কৃতি অনেকটাই সুস্থ ধারায় ফিরতে পারে। কিন্তু তারাই যদি নীতিচ্যুত হন, তবে সেটিই সমাজের অগ্রগতির পথে স্থায়ী ও বড় ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। সংকট সমাধানের উপায় জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, মূল ধারার সংবাদমাধ্যম এই ধরণের বক্তৃতা ও বিবৃতির নেতিবাচক দিক স্পষ্ট করতে পারে। রাজনৈতিক দলগুলো তাদের নেতাকর্মীদের নজরদারিসহ দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের শাস্তি প্রদানের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করতে পারে।

অনেকের ধারণা, শান্তিচুক্তি হলেই হয়তো শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে, শান্তি তার গন্তব্যে পৌঁছে যাবে। বাস্তবে শান্তির কোনো গন্তব্য নেই, শান্তি একটি চলমান প্রক্রিয়া। হয়তো এর আপেক্ষিকতার ওপর নির্ভর করে যে কোন ধরনের শান্তি (ইতিবাচক, নেতিবাচক) কখন বিরাজ করছে বা করবে। এই আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে মন্তব্য করার আগে কিছু ঐতিহাসিক বাস্তবতা স্মরণে রাখা প্রয়োজন। ১৯০০ সাল থেকে আজ পর্যন্ত পৃথিবীতে প্রায় দুই হাজার শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময় থেকে ধরলে এই সংখ্যা এক হাজারের কাছাকাছি। রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও শান্তিবিশারদদের গবেষণা বলছে, স্বাক্ষরিত শান্তিচুক্তির প্রায় ৫০ শতাংশই প্রথম পাঁচ বছরের মধ্যে অকার্যকর হয়ে পড়ে। অর্থাৎ শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নের হার বেশ হতাশাজনক। ট্রাম্পের এই ধরনের অবস্থান স্পষ্টতই ইঙ্গিত দেয় যে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের দামামা কমিয়ে একটি কূটনৈতিক সমাধানের মাধ্যমে পরাজয়ের গ্লানি মোছার শেষ চেষ্টা করছে। এ অবস্থায় ইরানের পক্ষে কেবল প্রতিরোধ অব্যাহত রাখাই হবে দিন শেষে দেশটির কৌশলগত বিজয় এবং সেই সঙ্গে বিশ্ব রাজনীতিতে শক্তির ভারসাম্য নিশ্চিতকরণ।

এই নৈরাজ্যকর পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রগুলোর সামনে এখন একমাত্র পথ হলো ‘ব্যালেন্স অব পাওয়ার’ বা শক্তির ভারসাম্য নিশ্চিত করা। স্নায়ুযুদ্ধের সময়কার ‘লং পিস’ বা দীর্ঘস্থায়ী শান্তির মূলে ছিল দুটি পরাশক্তির মধ্যকার ক্ষমতার সমতা। আজ যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইউনিপোলার সিস্টেম বা একপাক্ষিক আধিপত্যের মাধ্যমে বিশ্ব শাসন করতে চায়, তখন ইরানের মতো আঞ্চলিক শক্তির উত্থান কেবল একটি ধর্মীয় বিষয় নয়, বরং এটি একটি ভূ-রাজনৈতিক আবশ্যকতা। ইরান যদি এই সংকটে টিকে থাকতে পারে, তবেই তা মধ্যপ্রাচ্যে অবাঞ্ছিত ‘গ্রেটার ইসরায়েল’ গঠনের উচ্চাভিলাষকে রুখে দিতে সক্ষম হবে।

শান্তি একটি আপেক্ষিক প্রত্যয়। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, নিপীড়ক (হোক সে ব্যক্তি কিংবা রাষ্ট্র) যেমন নিপীড়নের মধ্য দিয়ে এক ধরনের শান্তি অন্বেষণ করে, তেমনি সেই নিপীড়ন তথা অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েও মজলুম মানুষ মুক্তি তথা শান্তির পথ খোঁজে। শান্তি অন্বেষণের এই প্রক্রিয়াটি পরিবার থেকে সমাজ এবং রাষ্ট্র থেকে বিশ্ব পরিমণ্ডল পর্যন্ত একটি অবিচ্ছিন্ন আন্ত সংযোগ, যা পরম্পরার মধ্য দিয়ে বিস্তৃত। বিশ্বশান্তি রক্ষায় যেমন জাতিসংঘের মতো সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তেমনি সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গড়ে উঠেছে পারিবারিক ও সামাজিক রীতিনীতি।

এ বিষয়ে ড. সাজ্জাদ সিদ্দিকী সমকালকে বলেন, বাচ্চাগুলো একেবারেই শিশুসুলভ আচরণ দিয়ে খেলাধুলা করছিল; উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছিল। এটা এই বয়সের একেবারে সঠিক কাজ করছিল তারা। ডাকসুর নামে কান ধরে উঠবস, লাঠি নিয়ে শাসানো শিশু নিপীড়নের পর্যায়ে পড়ে। এখানে শক্তি প্রদর্শন করা হয়েছে। সেই শক্তিটা হচ্ছে বিধি ও আইনবহির্ভূত। তিনি বলেন, কান ধরে উঠবস করানো একেবারে গর্হিত অপরাধ হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়া এবং ভার্চুয়াল জগতে ভিজুয়ালাইজেশনের যুগে এই বাচ্চাগুলো যত বড় হবে, বিষয়টা তাদের ট্রমাটাইজ করার আশঙ্কা অনেক বেশি। এ জন্যই এটা আইন এবং নিয়মের মধ্যে এনে তদন্ত করা দরকার এবং এই বাচ্চাগুলোকে কাউন্সেলিং দেওয়া প্রয়োজন হতে পারে। ড. সাজ্জাদ সিদ্দিকী আরও বলেন, সর্বমিত্র চাকমা এর আগেও এ ধরনের কাজ করেছে। শুধু সর্বমিত্র নয়; ডাকসুর অধিকাংশজন নীতিমালা এবং দায়িত্ববহির্ভূত কাজই করে যাচ্ছিল। সেগুলোর ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় উদাসীন ছিল। সকল ঘটনা তদন্ত করে ডাকসুর কার্যক্রম সীমিত করা উচিত।

নির্বাচনকেন্দ্রিক রাজনৈতিক দলগুলোর এ ধরনের পাল্টাপাল্টি অবস্থানকে কীভাবে দেখছেন-জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. সাজ্জাদ সিদ্দিকী বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘এর মাধ্যমে দলগুলো সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে নিজের অবস্থান শক্তিশালী করছে। কিন্তু দিনশেষে মানুষ আদর্শিক রাজনীতি করে না, করে পেশিশক্তির রাজনীতি। এটা তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর অন্যতম বৈশিষ্ট্য।’ তিনি বলেন, ‘এখনই যেভাবে কাদা ছোড়াছুড়ি বা অভিযোগের রাজনীতি শুরু হয়েছে, তাতে ভবিষ্যতে সহিংস ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।’ বিশ্লেষকদের মতে সামনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে বিতর্ক আরও তীব্র হতে পারে। সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন তাঁরা।

"Dehumanise" Hasina's father, Sheikh Mujibur Rahman, the founding president of Bangladesh, hailed from Gopalganj and is buried in the town. Statues of Rahman have been torn down nationwide, but in Gopalganj, murals and statues are well-maintained. A mosaic featuring Sheikh Mujibur Rahman, Bangladesh's first president and father of ousted prime minister Sheikh Hasina, displayed along a street at Tungipara village, his birthplace in Gopalganj. Since Hasina's downfall, clashes have broken out during campaigning by other parties, including one between police and AL supporters in July 2025, after which authorities filed more than 8,000 cases against residents. Sazzad Siddiqui, a professor at Dhaka University, believes voter turnout in Gopalganj could be the lowest in the country. Many people here are still in denial that Sheikh Hasina did something very wrong, said Siddiqui, who sat on a government commission formed after the 2025 unrest. At the same time, the government has constantly tried to dehumanise them.

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. সাজ্জাদ সিদ্দিকী বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মব সন্ত্রাস এবং রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিঃসন্দেহে সরকারের জন্য মাথাব্যথার কারণ। এর সঙ্গে যুক্ত হতে পারে কালোটাকা, লুট হওয়া অস্ত্র ও কারাগার থেকে পালানো আসামিরা। নির্বাচনকেন্দ্রিক সময় অর্থাৎ নির্বাচনের আগে, নির্বাচনের দিন ও নির্বাচনের পরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি পুলিশের পক্ষে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। তাই নির্বাচনকালীন সার্বিক পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কা রয়েছে। এজন্য অন্তর্বর্তী সরকারকে কঠোর হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। এজন্য সশস্ত্র বাহিনীর সহায়তা যদি কার্যকরভাবে নেওয়া যায়, তাহলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষক।

বিচ্ছিন্ন ঘটনা নাকি পরিকল্পিত? ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে একটি গোষ্ঠী প্রথম আলো, দ্য ডেইলি স্টার ও একাধিক সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে যে হামলা চালিয়েছে, তা জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। মানবাধিকার সংগঠন, সম্পাদকদের সংগঠন ‘নোয়াব’, রাজনৈতিক নেতা ও বুদ্ধিজীবীদের একটি বড় অংশ মনে করছেন— এগুলো কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বরং রাজনৈতিক ও আদর্শিক উদ্দেশ্য হাসিলের লক্ষ্যে স্বাধীন মতপ্রকাশকে রুদ্ধ করতেই এই সমন্বিত হামলা চালানো হয়েছে। প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের ঘটনায় ওসমান হাদির ওপর আক্রমণ থেকে তার মৃত্যু সংবাদ আসা পর্যন্ত অনেকগুলো ডট যদি আমরা একটার সঙ্গে আরেকটা মিলিয়ে দেখি, তাহলে এর পেছনের কারণ বা ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত কিনা, তা বের করতে পারবো বলে উল্লেখ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ বিভাগের শিক্ষক ড. সাজ্জাদ সিদ্দিকী। তিনি বলেন, ‘‘আমরা আমাদের জনগণের বিরাট অংশকে শিক্ষিত করতে পারিনি। ফলে যারা সমাজে নানা মাধ্যমে প্রভাব রাখতে পারে, তারা এই জনগোষ্ঠীকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করছে, নিজেদের ব্যক্তিগত ভালো লাগা বা না লাগার ওপর ভিত্তি করে। আপাতদৃষ্টিতে কাকতালীয় মনে হলেও তা যে না— সেটা বুঝতে পারা যাবে যদি আমরা ওসমান হাদির ওপর আক্রমণ থেকে তার মৃত্যু সংবাদ আসা পর্যন্ত ঘটে চলা ও ‘উসকানিগুলোর’ ধরন মিলাতে পারি।’’

ড. সাজ্জাদ সিদ্দিকী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি এই বিভাগে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করে নরওয়ের বারগেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমফিল এবং অস্ট্রেলিয়ার নিউ ইংল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হাইব্রিড পিসবিল্ডিংয়ের ওপর পিএইচডি সম্পন্ন করেন। শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যু এবং রাজনৈতিক সহিংসতার প্রতিকার নিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন আজকের পত্রিকার মাসুদ রানা।