তবে কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যে থাকলে দু’দেশের হাইকমিশনারকে তলবের ঘটনা ঘটতে পারে বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেন সিদ্দিকী। দৈনিক নয়া শতাব্দীকে তিনি বলেন, দুটি দেশ যখন কূটনৈতিক সম্পর্কের দিক দিয়ে টানাপোড়েনের মধ্যে থাকে তখন এ ধরণের ঘটনা ঘটে থাকে। দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে একটি রাষ্ট্র কোনো বিষয়ে অভিযোগ তুলে প্রতিক্রিয়া জানাতে রাষ্ট্রদূত বা দূতাবাসের প্রধানকে তলব করলে প্রতিপক্ষ রাষ্ট্রটিও পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানাতে একই ঘটনার জন্ম দেয়। এটি দুটি দেশের কূটনৈতিক ক্ষেত্রে স্বাভাবিক ঘটনা। তবে এ ঘটনা দু ‘দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। হাসনাত আব্দুল্লার সাম্প্রতিক বক্তব্যটির প্রতি ইঙ্গিত করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষক আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ বা সরকারি পদাধিকারী নয় এমন কিছু ব্যক্তির ‘ননস্টেট বক্তব্য’ গুরুতর নয়। কারণ তাদের বক্তব্য রাষ্ট্রের বা সরকারের নয়। তবে এধরণের ‘ননস্টেট বক্তব্য’ বা মন্তব্য অনেক সময় সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রটি ‘সিরিয়াস’ হিসেবে নিয়ে থাকে। তাই উদ্বেগ জানাতে হয়তো নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশি হাইকমিশনারকে তলব করেছিল ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
ঢাকা-দিল্লির দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে টানাপোড়েন!
Interview with মিজানুর রহমান খান • The Daily Naya Shatabdi